দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে দুলছে গাছ

দেশজুড়ে ডেস্কঃ  ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে গাছেরা নিজেদের নতুন করে সাজাতে ব্যস্ত। লিচুর জেলা হিসেবে দিনাজপুরের পরিচিতি রয়েছে সারা দেশে। চলতি বছর মুকুল থেকে দানা আসার আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন জেলার বাগান মালিকরা। প্রতি বছর বসন্ত ঋতুতে বৃষ্টি হলেও এবার তার পরিমাণ কম। ফলে বাগান মালিকরা সেচের মাধ্যমে গাছের গোডায় পানি সরবরাহ করছেন। কঠোর রোদে ফুটন্ত মুকুলের ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় বালাইনাশক প্রয়োগ করছেন। ফলে ব্যস্ততা বেড়ে গেছে লিচু বাগানের মালিকদের।
দিনাজপুরে বেদানা, চায়নাত্রি, চায়না ফোর, মাদ্রাজি ও বোম্বাই জাতের লিচুর আবাদ হয় বেশি। জেলার বিরল উপজেলার মাধববাটী ও সদরের মাসিমপুরে চাষ বেশি হয়।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জানান, গত কয়েক দিন আগ থেকে মুকুল ফুটতে শুরু করেছে। কয়েক দিনের মধ্যে অধিকাংশ বাগানে দানা বাঁধা শুরু হবে। এখন নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে গাছ ও ফলের পরিচর্যা করতে হবে। জেলার কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বাগান মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারও আশাতীত ফলন পাওয়া যাবে।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রমতে, ২০০৯ সালে দিনাজপুরে লিচু চাষের জমির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫০০ হেক্টর। ২০১০ সালে তা এসে দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৮০ হেক্টরে, ২০১১ সালে ১ হাজার ৯৫৬ হেক্টর, ২০১২ সালে ২ হাজার ৫০০ হেক্টর। এভাবে প্রতি বছর লিচু চাষ বেড়েই চলছে। গত বছর জেলার ২ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হলেও এবার তা বেড়ে ২ হাজার ৭শ’ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। দিনাজপুরে চাষ হওয়া লিচুর মধ্যে চায়না থ্রি, বেদেনা, বোম্বাই ও মাদ্রাজি উল্লেখযোগ্য। দিনাজপুরে যেসব স্থানে লিচু চাষ হয় তার মধ্যে বিরলের মাধববাটী ও সদরের মাসিমপুর উল্লেখযোগ্য। বিরল উপজেলার মাধববাটী দিনাজপুর সদর প্রায় ৯ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং মাসিমপুর সদর উপজেলা প্রায় ২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসিমপুর এলাকার লিচু চাষি মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, লিচুর বাগানগুলোতে ফুল আসায় লিচু আহরণ পর্যন্ত চাষিদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে যায়। ফুল আসার ১৫ দিন আগে এবং ফুল আসার ১৫ দিন