ঢাকাসোমাবার , ২ অগাস্ট ২০২১

কক্সবাজারের স্থানীয় মানুষ রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন

দেশ জুড়ে
অগাস্ট ২, ২০২১ ২:৪৮ পূর্বাহ্ন
Link Copied!

মারজান চৌধুরী:
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঋণসুবিধা দেয়ার মাধ্যমে জনগণের সাথে অন্তর্ভুক্তির’ বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করে সোসাল মিডিয়া পেইজ বুকের মাধ্যমে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন সহ কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। বিশ্বব্যাংকের এ ধরনের প্রস্তাব মেনে না নিয়ে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারকে চাপ সৃষ্টি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান কক্সবাজারের সাধারণ মানুষ।একই সাথে বাংলাদেশকে নতুন ফিলিস্তিন বানানোর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাংকের দেয়া এই ধরনের পরামর্শের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন কে শক্তিগুলোকে সোচ্চার ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন কক্সবাজারের উখিয়া পালংখালী ইউনিয়নের অরাজনৈতিক সংগঠন অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইন্জিনিয়ার রবিউল হোসেন, অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির উপদেষ্টা সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন ও এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা শাখার সহ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান।
তারা বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হচ্ছে তাদের নিরাপত্তার সাথে মিয়ামনারে ফেরত পাঠানো। এ ধরনের প্রস্তাবের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক মূলত রোহিঙ্গাদের মৌলিক অধিকার অস্বীকার করছে। কারণ সম্মানজনকভাবে মিয়ানমারে ফেরত যাওয়াটাই হচ্ছে রোহিঙ্গাদের মৌলিক অধিকার। বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবে সমর্থন দিলে তাদের সেই অধিকার ব্যাহত হবে।
তারা আরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব গৃহীত হলে বাংলাদেশের ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা,সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশে এইটা কখনোই সম্ভব না ও স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য এবং এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরো বেশি জটিল হয়ে পড়বে। বিশ্বব্যাংকের এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। জাতীয় স্বার্থে এ ব্যাপারে সরকারকে তার অবস্থান দ্রুত সুস্পষ্ট করতে হবে এবং দেশের ভেতরও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তারা বলেন, বিশ্বব্যাংকের এ ধরনের প্রস্তাব মেনে নিলে আন্তর্জাতিকভাবে এবং মিয়ানমারের সাথে যে দরকষাকষি চলছে সেগুলোর আর কোনো মূল্যই থাকবে না। বরং যা করতে হবে সেটি হলো মিয়ানমারে যে অন্তর্র্বর্তী সরকার আসছে তারা এ ধরনে নৃগোষ্ঠীগুলোর স্বার্থ রক্ষার কথা বলেছে, সেই সুযোগটি গ্রহণ করে তাদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া, যাতে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যায়।
নেতৃদ্বয় বলেন,বর্তমানে রোহিঙ্গারা চাকরি, ব্যবাসা, স্বাধীন ভাবে চলাফেরা সহ অনেক সুবিধায় রয়েছে এবং তাদেরকে আরো সুবিধা দিলে একদিকে এ দেশে এমনিতেই কর্মসংস্থানের সুযোগ কম, তার ওপর রোহিঙ্গাদের কাজ করতে দিলে কী অবস্থা দাঁড়াবে। এ ছাড়া যারা এখনো মিয়ানমারে আছেন তারাও এ দেশে আসতে উৎসাহী হবেন। সুতরাং তাদের সম্মানজনক ফেরত পাঠানোই হচ্ছে সরকারের দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ তাদের বন্ধিশিবিরে রাখেনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।