ঢাকামঙ্গলবার , ১০ অগাস্ট ২০২১

প্রেমের টানে উখিয়ায় মিয়ানমার নাগরিক

দেশ জুড়ে
অগাস্ট ১০, ২০২১ ১:১০ অপরাহ্ন
Link Copied!

বিশেষ প্রতিবেদক:প্রেম মানে না কোনো বাধা। তাই প্রেমিকাকে বিয়ে করতে মিয়ানমার পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ২৮ বছর বয়সী সৈয়দুল আমিন। তবে এখানেও হলো না রক্ষা। আটক হয়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের হাতেসোমবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং মধুরছড়া ক্যাম্পের একটি বসতঘর থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক সৈয়দুল মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডু থানার সিকদার পাড়ার জাফর আহমদের ছেলে।কক্সবাজার-১৪ এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুরে কুতুপালং ৪ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক ই-১৫ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা যুবককে আটক করা।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক রোহিঙ্গা যুবক সৈয়দুল আমিন জানান, খালাতো বোন ২১ বছরের নুর বেগমের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৭ সালে মা-বোনসহ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেন নুর বেগম। কিন্তু বাবা-মাসহ মিয়ানমারেই থেকে যান তিনি। এরপর থেকে মোবাইলে তাদের কথাবার্তা চলতো।
নুর বেগমের টানে বাবা-মাকে রেখেই চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমার থেকে গোপনে তমব্রু সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকেন সৈয়দুল। সেখান থেকে কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এর সূত্র ধরে তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য সেন্টমার্টিনে চলে যান।সেখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে প্রায় ৪০ হাজার টাকা রোজগার করেন। জুলাই মাসে সেন্টমার্টিন থেকে কুতুপালং ক্যাম্প-৭ এর টিভি সেন্টারের পাশে ফুফু শাহিদা বেগমের ঘরে ওঠেন। ফুফুর মাধ্যমে ক্যাম্প-৪ গিয়ে গত সপ্তাহে খালাতো বোন নুর বেগমকে বিয়ে করেন সৈয়দুল।কক্সবাজার ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (এসপি) মো. নাইমুল হক বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা সৈয়দুল আমিনের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ক্যাম্প ইনচার্জের (সিআইসি) সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এরপর তার নির্দেশক্রমে সৈয়দুলকে ট্রানজিট ক্যাম্পের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।